পরিবারের সদস্যরা জানান, গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় চৈতী রানীর বাঁ পায়ে সাপ ছোবল দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। পরে মাছ ধরার কোচ দিয়ে সাপটিকে আটকে ফেলেন তারা। এরপর চৈতী রানীকে চিকিৎসার জন্য বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ছোবল দেওয়া সাপটিকেও সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে আসেন স্বজনরা। পরে চিকিৎসকেরা সাপটি বিষধর হিসেবে শনাক্ত করেন এবং চৈতী রানীকে অ্যান্টিভেনম দেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. লুৎফুল কবীর বলেন, ভোরে একজন সাপে কাটা রোগী হাসপাতালে আসেন। তার সঙ্গে সাপটিকেও নিয়ে আসেন স্বজনরা। সাপটি বিষধর হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় রোগীকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভালো আছেন।
বসির আহমেদ