রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রতিটি গেট ৩ ফুট করে খুলে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৬ দশমিক ২০ ফুট এমএসএল।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এবার দ্বিতীয় বারের মতো জল কপাট গতকাল প্রথমে ৮ টায় ৬ ইঞ্চি খুলে দেওয়া হয়েছে। রাত ১০টায় ১ ফুট খুলে দেয়া হয়। আজ সকালে প্রথমে ২ফুট এবং সকাল সাড়ে ১০ টায় ৩ ফুট উচ্চতায় খুলে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটির সিম্বলিক রাঙ্গামাটির পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু তলিয়ে গেছে। ঝুলন্ত সেতু ডুবে যাওয়ায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।
এদিকে ৩০ আগষ্ট রবিবার সকাল ৯ টায় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৬ দশমিক ২০ ফুট এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধির ফলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি,বরকল, জুরাছড়ি, রাঙ্গামাটি শহরের নাম নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বর্তমানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। এর সঙ্গে স্প্রিলওয়ের ১৬টি গেট দিয়ে আরও প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়ায় কর্ণফুলী নদীতে পানির প্রবাহ বাড়তে পারে।
এ কারণে কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বসির আহমেদ