
ফাইনাল শেষ হওয়ার পরই বিশ্বকাপজয়ী দলটি মাদ্রিদের উদ্দেশে রওনা দেয়। দলকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে অ্যাডলফো সুয়ারেজ মাদ্রিদ-বারাহাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সেখানে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় চ্যাম্পিয়নদের।
অধিনায়ক রদ্রি, প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুজান ট্রফি হাতে বিমান থেকে নামেন। এরপর জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ট্রফিসহ বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন রদ্রি, লামিন ইয়ামাল ও সতীর্থরা।
বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে ভিড় করেন অসংখ্য সমর্থক। উচ্ছ্বাস আর করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
শুধু বিমানবন্দরের সংবর্ধনাই নয়, স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ ও প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিশ্বজয়ীরা। পাশাপাশি রাজধানী মাদ্রিদের রাজপথে তাদের সম্মানে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা।
বিশ্বকাপ ফাইনালের একমাত্র গোলটি আসে অতিরিক্ত সময়ে। বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন।