
পুলিশসূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা রাফিউজ্জামান রবিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্রে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ডেকে আনে শহরের একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ছাত্রাবাসে। সেখানেই ৪ দিন আটকে রেখে তরুণীকে পাশবিক নির্যাতন চালায় রবিন ও তার সহযোগীরা।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘ ৪ দিন ধরে তাকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করেছে রবিন। তরুণীর পরিচয় গোপন করতে তার সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। পরে কৌশলে ছাত্রাবাস থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে চিৎকার করে সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. ইকবাল হাসান জানান, কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ প্রেরিত ওই নারী ‘হিস্ট্রি অব সেক্সুয়াল অ্যাসাল্ট’ জনিত আহত হওয়ায় তাকে গাইনি ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, তরুণীকে ছাত্রাবাসে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে রবিন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।