
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধরা পড়া মাছটি ইউনুস মন্ডলের আড়তে নিয়ে আসা হলে সেখানে ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন ১০ কেজি ৮০০ গ্রাম। পরে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৩০০ টাকা দরে মোট ৫৭ হাজার ২৪০ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মো. সম্রাট শাহজাহান শেখ।
এরপর তিনি আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। পরে চট্টগ্রামে অবস্থানরত সৌদি প্রবাসী এক ক্রেতার কাছে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৪০০ টাকা দরে মোট ৫৮ হাজার ৩২০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন। এতে তার কিছুটা লাভ হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাছ ব্যবসায়ী মো. সম্রাট শাহজাহান শেখ জানান, পদ্মা নদীর বড় আকারের ঢাই মাছের চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে। ভালো দামের আশায় মাছটি কিনেছিলাম এবং অনলাইনের মাধ্যমে দ্রুত বিক্রি করতে পেরেছি।
গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট বলেন, বর্তমানে ইলিশ আহরণে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা থাকায় নদীতে অন্যান্য প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়ছে। ফলে ঢাই, বোয়াল, কাতল, রুই, বাঘাইড়সহ বড় মাছ এখন বেশি ধরা পড়ছে। তিনি আরও বলেন, নদীতে স্থায়ী অভয়াশ্রম গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের মাছ পাওয়া সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীতে মাঝেমধ্যে বড় মাছ ধরা পড়লেও এ ধরনের দামী ঢাই মাছ সচরাচর দেখা যায় না। তাই মাছটি ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।