
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, দায়িত্ব ছাড়ার পর রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনও রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। স্পিকার মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে অবস্থান করায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। যদিও সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফেরার বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের প্রক্রিয়ার সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে।