
ইতিহাস বলছে, এমন ঘটনা বিরল হলেও অসম্ভব নয়। এবারের বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০ গোল করা এমবাপ্পে গত বিশ্বকাপেও জিতেছিলেন ‘গোল্ডেন বুট’। ফ্রান্স সেবার রানার্সআপ হয়েছিলো, এবার চতুর্থ। গত মৌসুমে ফরাসি তারকা লা লিগায় সর্বোচ্চ ২৫ গোল নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪২টি গোল করেছেন। এমবাপ্পে জিততে পারেননি কোনো শিরোপা। ইতিহাসে অবশ্য ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ট্রফি না জিতেও ছয়বার ব্যালন ডি’অর জেতার নজির আছে। প্রথম ব্যালন ডি’অরজয়ী ইংল্যান্ডের ম্যাথিউ স্টানলি ১৯৫৬ সালে ব্ল্যাকপুলের হয়ে, ১৯৬৪ সালে স্কটল্যান্ডের ডেনিস ল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে, ১৯৭০ সালে বায়ার্ন মিউনিথের জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার এবং ১৯৭৮ সালে ইংল্যান্ডের কেভিন কিগান হ্যামবুর্গে ট্রফিশূন্য মৌসুম কাটিয়ে ব্যালন ডি’অর জেতেন। শুধু গত শতাব্দীতে নয়, সাম্প্রতিক সময়েও দৃষ্টান্ত আছে।
২০০০ সালে রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ তারকা লুইস ফিগো, ২০১৩ সালে ফিগোর উত্তরসূরি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো একই কীর্তি গড়েন। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায় কী হয়, সেটি জানা যাবে আগামী ২৬ অক্টোবর। সেদিনই ঘোষণা করা হবে ৭০তম ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম।