
শনিবার রাতে সান্তোস ব্রাজিলিয়ান সিরি’আতে মুখোমুখি হয়েছিলো শাপকোয়েন্সের। এই ম্যাচের আগে দলটি অবনমন অঞ্চলে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। ঠিক তখনই আলো ছড়ান নেইমার। শাপকোয়েন্সের বিপক্ষে এই ম্যাচে ডেডলক ভাঙেন তিনি, বক্সে সতীর্থের সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান নেইমার।
তার আগে সান্তোস যখন কোপা সুদামেরিকানায় খেলছিলো, তখন তিনি পোকার টুর্নামেন্টে ছিলেন। এই নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠেছিলো।
সেটার জবাব হিসেবেই কি না, ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা প্রথম গোলের পর পোকার খেলার ভঙ্গিতে উদযাপন করেন। এরপর শাপকোয়েন্স ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। মনে হচ্ছিলো মাটি হয়ে যাবে নেইমারের প্রত্যাবর্তন।
কিন্তু শেষ দিকে আবার জ্বলে ওঠেন নেইমার। বার্সেলোনা ও পিএসজির সাবেক এই ফরোয়ার্ড শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে পয়েন্ট এনে দেন। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর কয়েক সপ্তাহ দূরে থাকার পর এটি ছিলো তার আবেগঘন প্রত্যাবর্তন।
চোট সমস্যা এবং ফিটনেস প্রোগ্রামের কারণে ক্লাব তাকে আগে দলের সঙ্গে পাঠায়নি। বিশ্বকাপের সময় তাকে ব্রাজিলেই রাখা হয়েছি।
সমর্থক এবং সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার মুখে পড়ে সান্তোসের অনুশীলন মাঠ থেকে একটি ভিডিও বার্তা দেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘আমি সকালে অনুশীলন করেছি। ম্যাচে যাইনি কারণ আমি সবে অনুশীলন শুরু করেছিলাম। পরের দিন আমার ছুটি ছিলো।’
সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তিনি ব্যঙ্গ করে বলেন, ‘এখন আমি অনুশীলনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। আমি কি অনুশীলন করতে পারি, নাকি তোমরা আমাকে সমালোচনা করতেই থাকবে? নিজের কাজে মন দাও।’
এই ভঙ্গি সমালোচকদের চুপ করাতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে নেইমার আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। বিতর্ক থেকে সরে না গিয়ে তিনি নিজের গোল উদযাপনের মাধ্যমেই স্পষ্ট বার্তা দিলেন।