
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা দিয়ে ১৩ জন পর্যটক তিন্দু বাজারে পৌঁছান। পরে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। বিকেলে তারা তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন।
রেমাক্রির পথে তিন্দুর বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে সাত আরোহী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মাহিয়ান নিখোঁজ হন বলে জানায় স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা টানা দুই দিন যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাননি।
এরপর রবিবার সকালে তিন্দুমুখ ও বড় পাথর এলাকার মাঝামাঝি স্থানে লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন।
তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বড় পাথর ও তিন্দুমুখের মাঝামাঝি এলাকায় নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে অবহিত করেন। এরপর বিজিবি সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে এলে উদ্ধার অভিযান ও ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।