
প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র ইয়ানবুর সঙ্গে সংযুক্ত অপরিশোধিত তেল পরিবহন ও সরবরাহ অবকাঠামোর বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
যদিও এ ঘটনার বিষয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোন প্রবেশের জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে ইরানি হামলার ঝুঁকি এড়াতে সৌদি আরব বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়। এর অংশ হিসেবে দেশটি পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল ইয়ানবু বন্দরে স্থানান্তর করে রপ্তানির ব্যবস্থা জোরদার করে।
এরই মধ্যে গত সপ্তাহে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের তেল শিল্পের ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্নের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, এর প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরব ইয়েমেনের হুদাইদাহ বন্দরে অবস্থিত হুথিদের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক নৌপথ ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে।