
কারা কিনতে পারবেন? সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।
এ ছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২) অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিলও এ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে।
সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
কোথা থেকে কিনবেন? পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে— জেলা সঞ্চয় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা, তফশিলি ব্যাংক, ডাকঘর।
কী কী সুবিধা রয়েছে? -সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় এটি তুলনামূলক নিরাপদ। -পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে নির্ধারিত হারে আকর্ষণীয় মুনাফা পাওয়া যায়। -দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে সহায়ক। -বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে। -সঞ্চয়পত্রে নমিনি নিয়োগ করা যায়। -বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ পূর্তির পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।
নিরাপদ বিনিয়োগের পাশাপাশি নির্দিষ্ট হারে নিশ্চিত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে জনপ্রিয় সঞ্চয়মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।