
গুরুতর আহত মাঝি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার আবুল কালামের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
ভুক্তভোগী ট্রলার এফবি মিম-এ থাকা জেলে ইব্রাহীম জানান, মাছ নিয়ে তীরে ফেরার পথে কালো পতাকা টানানো একটি হলুদ রঙের ট্রলারে থাকা প্রায় ২৫ জনের সশস্ত্র জলদস্যু তাদের ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। ট্রলারে থাকা ১৬ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রলারে থাকা মাছ, জাল, ডিজেল, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।
মহিপুর মৎস্যজীবী সমিতির নেতা ফজলু গাজী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সমুদ্রে জলদস্যুদের তৎপরতা না থাকলেও সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে তাদের আনাগোনা আবারও বেড়েছে। এতে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি দ্রুত দস্যুদের গ্রেফতার এবং গভীর সমুদ্রে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৌ টহল জোরদারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। আমি বর্তমানে অভিযানে রয়েছি। বিস্তারিত জানতে গোয়েন্দা শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন তারকুন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।