
নাটোরের খাজুরা ইউনিয়নের শ্রীপুরপাড়ার সাব্বির হোসেন শুভ, দিঘীরপাড়ের শামীম হোসেন ও মহিষডাঙ্গার রবিউল আওয়াল হৃদয়। যে তিনটি বাড়িতে প্রিয়জনের ফেরার অপেক্ষা ছিল, সেখানে এখন অপেক্ষা শুধু মরদেহের। নিহতদের একজন মাত্র সাত মাস আগে, অন্য দুজন তিন ও পাঁচ বছর আগে সৌদি গিয়েছিলেন।
কৃষক পরিবারের এসব সন্তান মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করেই বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল আয় করে পরিবারের কষ্ট দূর করবেন। কিন্তু এখন স্বজন হারানোর শোকের সঙ্গে পরিবারগুলোর সামনে দাঁড়িয়েছে ঋণের বোঝা।
পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম মানুষকে হারিয়ে দিশেহারা স্বজনরা। একদিকে প্রিয়জন হারানোর শোক, অন্যদিকে মাথায় ঋণের বোঝা—দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সরকারের সহায়তা চান তারা।
নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
স্বপ্ন ছিল বিদেশের আয় দিয়ে বদলে যাবে পরিবারের জীবন। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছে সেই স্বপ্ন, কেড়ে নিয়েছে পরিবারের আপন মানুষগুলোকে। এখন শোক আর ঋণের বোঝা নিয়ে প্রিয়জনের মরদেহ ফেরার অপেক্ষায় নাটোরের তিন পরিবার।