
জুনে মালেতে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ফুটবলাররা। ওই ঘটনার পর থেকেই আল আমিনের বিরুদ্ধে ফিফার শাস্তির বিষয়টি আলোচনায় ছিল।
বাফুফে গত সপ্তাহে আল আমিনের নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিষয়টি জানানো হয়নি। ফলে শাস্তির বিষয়ে নিজেও কিছু জানেন না এই তরুণ ফুটবলার। আল আমিন বলেন, ‘আমাকে এখনো কিছু বলেনি, তাই আমি কিছুই জানি না।’
জাতীয় দল বছরে সাধারণত সাত-আটটির বেশি ম্যাচ না খেলায় ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার অর্থ, প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে থাকতে হতে পারে আল আমিনকে। সম্ভাবনাময় এই ফুটবলারের ক্যারিয়ারে এটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে একই টুর্নামেন্টের ঘটনায় বাংলাদেশের ম্যানেজার ও ফুটবলার মিরাজুলকেও শাস্তি দিয়েছিল ফিফা। তবে মালদ্বীপের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পায়নি বাফুফে।
ঘটনার পর বাফুফে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করলেও আল আমিনের নিষেধাজ্ঞার পর বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করছে ফেডারেশন। এখন প্রশ্ন, ফিফার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না বাফুফে।