
এক বিবৃতিতে তাপিয়া বলেন, ফাইনালের পর এক মাস ধরে আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র ও নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হয়েছে। অথচ এক মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযোগকারীদের কেউ নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাননি।
আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়রা যখন মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিচ্ছিলেন, তখন বাইরে থেকে কেউ কেউ দলটির বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো, বিভাজন তৈরি এবং তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন এএফএ সভাপতি।
তিনি বলেন, শুধু নীরব থাকা বা সময় পার করে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাসঘাতক বলেছেন, তাদের সেই বক্তব্যের দায় নিতেই হবে। প্রমাণ ছাড়াই খেলোয়াড়দের ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা এবং পরে নীরব হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বিবৃতিতে তিনি নৈতিকতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। প্রশ্ন রাখেন, এমন কাজ করার পর কীভাবে তারা নিজেদের সন্তানদের সততা, সম্মান ও মর্যাদার শিক্ষা দেবেন? মূল্যবোধের সঙ্গে কোনো আপস করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তাপিয়া বলেন, ফাইনালের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাই মাথা উঁচু করে আছেন। কারণ তারা জানেন, সেদিন মাঠে তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছেন এবং শেষ বাঁশি বাজার পর কারও কাছে তাদের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার ছিল না।
সবশেষে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, “যারা মাঠে নিজেদের আত্মা উজাড় করে দিয়েছে, তাদের কিছুই ব্যাখ্যা করার নেই। ব্যাখ্যা দিতে হবে যারা মিথ্যা বলেছে, তাদের।”