
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট বেশ কঠিন ছিল। তবে পুরো ম্যাচেই দলের ব্যাটিং প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। টস কিছুটা প্রভাব ফেললেও সেটিকে হারের অজুহাত হিসেবে দেখছেন না তিনি।
শান্ত বলেন, ‘সত্যি বলতে খুবই হতাশাজনক। তবে আমি মনে করি টস একটা বড় ভূমিকা রেখেছে, বিশেষ করে প্রথম ইনিংসে যেখানে ব্যাটিং বেশ কঠিন ছিল। সত্যি বলতে তিনটা ইনিংসই বেশ কঠিন ছিল, তবে কোনো অজুহাত নয়, আমরা ভালো ব্যাট করিনি।’
অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের প্রশংসা করে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, প্রতিপক্ষ বোলাররা খুব ভালো বোলিং করেছেন। তাদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে দলের বেশ কিছু জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ডারউইনে পাওয়া অসাধারণ জয়ের পর ম্যাকাই টেস্টে মানসিক ক্লান্তি বা অতিরিক্ত আবেগ প্রভাব ফেলেছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত পেশাদারিত্বের ওপর জোর দেন। তার মতে, পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিটি ম্যাচের জন্য আলাদা করে নিজেদের প্রস্তুত রাখা জরুরি।
ডারউইনে দুর্দান্ত জয়ের পরপরই ম্যাকাইয়ে এমন ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকল। অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে টিকে থাকতে ব্যাটিং টেকনিক ও মানসিক দৃঢ়তায় আরও উন্নতি করতে হবে—ম্যাচ শেষে শান্তর বক্তব্যে সেই বাস্তবতাই উঠে এসেছে।