
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুজন হলেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।
এদিকে রায় ঘোষণার পর সোনাগাজীর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুন দিয়ে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। দীর্ঘ সময় পর উচ্চ আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও খালাসের সিদ্ধান্ত আসায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ স্মৃতি এখনো তাদের মনে রয়েছে। এমন ঘটনা যাতে আর কোনো শিক্ষার্থী বা পরিবারের সঙ্গে না ঘটে, সে জন্য অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি আবুল হাসেম বলেন, নুসরাতের পরিবারের নিরাপত্তায় গতকাল থেকে তাদের বাড়িতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তায় সব সময় পুলিশ পাশে থাকবে।
হাইকোর্টের রায়ের পর নুসরাত হত্যা মামলার আইনি প্রক্রিয়া নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রায়কে ঘিরে সোনাগাজীতে আলোচনা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।