
সোমবার (২৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেমাইমা বলেন, ইমরানের চিকিৎসা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দুই ছেলের সঙ্গে নিয়মিত ফোনে কথা বলার সুযোগ দিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এসব নির্দেশ মানা হচ্ছে না।
গত ১৮ আগস্ট ইমরানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। তবে তাকে সেখানে না নিয়ে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা সুস্থ ঘোষণা করার পর তাকে ফের আদিয়ালা কারাগারে পাঠানো হয়।
জেমাইমার দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে ইমরানকে কারাগারে রাখা হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় একাকী বন্দিত্বে রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের প্রায় ১০ মাস ধরে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। আইনজীবী ও চিকিৎসকদের সঙ্গেও তার যোগাযোগ সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইমরানের দুই ছেলে সুলায়মান ও কাসিমও বাবার সঙ্গে দেখা করতে না পারা এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, ২০২২ সালের নভেম্বরের পর থেকে তারা বাবাকে দেখেননি। জেমাইমা প্রশ্ন করেন, ‘যুক্তরাজ্য আর কতোদিন নীরব থাকবে?’ তার মতে, বিষয়টি এখন আর শুধু পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।
উল্লেখ্য, ইমরান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। বর্তমানে ১৯ কোটি পাউন্ডের দুর্নীতি মামলায় সাজা ভোগ করছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন।