
রিয়ালের মাঠে ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পায় সোসিয়েদাদ। একাদশ মিনিটে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবালের শট পা দিয়ে আটকে দেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। ১০ মিনিট পর সোসিয়েদারের গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরোও ভিনিসিউসের শট একইভাবে রুখে দিয়ে দলকে বাঁচান। ৪০ মিনিটে এমবাপ্পের নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় স্বাগিতকরা। ফেদে ভালভের্দের পাস ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড। চার মিনিটের মধ্যেই সোসিয়েদাদের সুচ্চি গোল শোধ দেন।
বিরতির পর আক্রমণে আধিপত্য নেওয়া রিয়াল ৬০ মিনিটে আবার এগিয়ে যায়। জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে। সাত মিনিট পর ভিনিসিউস ব্যবধান বাড়ান। আর ৮০ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ন করেন গত মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে। ভিনিসিউসের পাস ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে পেয়ে জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফরাসি তারকা। দুই ম্যাচে পূর্ন ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল। প্রথম ম্যাচে এস্পানিওলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিলো হোসে মরিনহোর দল।