
ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও সন্ধান মেলেনি অন্তত দেড় হাজার মানুষের। এদের মধ্যে পর্যটক আছেন আটশ'র বেশি। নেপালের ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, পর্যটকদের মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন, কানাডার ২৫ জন, ইউক্রেনের ৫৪ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, জার্মানির আট জন ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাপানের নাগরিক রয়েছেন।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় তল্লাশির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার। এই হেলিকপ্টার থেকে ফেলা হচ্ছে দুর্গতদের জন্য খাবার, তাঁবুসহ জরুরি সরঞ্জাম।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় ভোটে কোশি নদীতে ব্যাপক ঢল নামে। বানের পনিতে ভেসে যায় তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া জেলার ঘরবাড়ি, যানবাহন, সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত টিমুরে ও স্যাব্রুবেশি এলাকা। নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যায় রাসুয়াগঢ়ি, চিলিমে, ত্রিশূলী-তিনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২২০ কিলো ভোল্ট বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং একাধিক সঞ্চালন ও বন্টন অবকাঠামো ক্ষতির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে আগামী তিন মাসের জন্য দুর্গত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান