
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাইহান মৃধা (২৪) ও পপি খাতুন (২২)-এর মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে প্রায় তিন বছর চার মাস আগে তারা গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করে বলে জানা গেছে। বিষয়টি গোপন রেখে পরবর্তীতে রাইহান মৃধা তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নুরইসলাম (২৫)-এর সঙ্গে পপি খাতুনের বিয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিয়ের পর নুরইসলাম ও পপি খাতুনের সংসার ভালোই চলছিল এবং তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
অন্যদিকে, রাইহান মৃধারও দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে পুরোনো প্রেমের সম্পর্কের কারণে রাইহান মৃধা ও পপি খাতুনের মধ্যে গোপনে যোগাযোগ ও মেলামেশা চলতে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সালিশের মাধ্যমে পপি খাতুন ও নুরইসলামের দাম্পত্য সম্পর্কের বিচ্ছেদ সম্পন্ন করা হয়। এরপর পপি খাতুনকে তার প্রথম স্বামী হিসেবে দাবি করা রাইহান মৃধার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং নতুন করে তাদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সালিশে জুয়েল মন্ডল, হিরু মন্ডল, চঞ্চল শেখ, ইলিয়াস মন্ডল, আনোয়ার শেখ, সাগর শেখ, এনামুল মৃধাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো লিখিত আইনি নথি, আদালতের আদেশ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কোর্ট ম্যারেজ, তালাক ও পরবর্তী বিয়ের আইনগত বৈধতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলে জানান সালিশদাররা।