
স্থানীয়রা জানান, রাতে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০টি ঘোড়া এনে জবাই করা হয়। দুর্বৃত্তরা সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ভোর হয়ে যাওয়ায় বাকি তিনটির মাংস নিতে পারেনি। সকালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে তিনটি জবাই করা ঘোড়া এবং সাতটি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোনো স্থান থেকে ঘোড়াগুলো এনে নির্জন ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে জবাই করা হয়েছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করেছে দুর্বৃত্তরা। রাত ১টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে রেখে তারা চলে যায়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘তিনটি জবাইকৃত ঘোড়াসহ সাতটির মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে অন্যত্র পুঁতে রাখা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।’