
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে ৯টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৭টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায়। এসব এলাকার কয়েকটি স্কুল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে অথবা মাটির নিচে চাপা পড়েছে। ওই স্কুলগুলোতে মোট ২ হাজার ৪২৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার প্রবল স্রোতে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী ভেসে গেছে। একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের এক শিক্ষার্থীকে বহনকারী একটি বাসও বন্যার পানির স্রোতে ভেসে গেছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর অবস্থান ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণের মাধ্যমে মানচিত্রে তুলে ধরেছে বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া ভিজ্যুয়াল জার্নালিজম টিম।
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: বিবিসি