
পুলিশ ও তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে রবিবার (৩০ আগস্ট) রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্য ও রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাব টেকনোলজিস্টদের একটি দল। পরে নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। পরীক্ষার ফলাফলে দুই জনের শরীরে মাদকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, রবিবার তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিলো। আজ ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে মাদকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার অভিযোগে গত ২৩ আগস্ট ভোরে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ২১ আগস্ট ভোরে নগরীর কামালকাছনা মছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়িতে সপরিবারে খুন হন গণপতি চক্রবর্তী।
এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামিই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা জানান, ২০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে তারা মোট নয়টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করার পরও ডোপ টেস্টে মাদকের আলামত না পাওয়ার বিষয়টি তদন্তে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে মাদক সেবনের সম্পর্ক এবং আসামিদের বক্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।