
বক্তব্যে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রথমত, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্বিতীয়ত, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তাদের প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তৃতীয়ত, সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রদূত আইরিন খান।
তিনি বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাদের প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়। রাষ্ট্রদূত আইরিন খান শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
পাশাপাশি দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।