
বৃহস্পতিবার তার মরদেহ হেগ থেকে সার্বিয়ায় পৌঁছায়। কফিনটি সার্বিয়ার পতাকায় মোড়ানো ছিল এবং ছয়জন সেনা সদস্য সেটি বহন করেন। পরে পুলিশের স্কর্টে মরদেহটি রাজধানী বেলগ্রেডের একটি সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় ম্লাদিকের ছেলে ও দেশটির বিচারমন্ত্রী নেনান্দ ভুজিক উপস্থিত ছিলেন।
১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সালের বসনিয়া যুদ্ধের সময় ম্লাদিক বসনিয়ান-সার্ব বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘সেফ এরিয়া’ স্রেব্রেনিৎসায় তার বাহিনীর হাতে প্রায় আট হাজার মুসলিম পুরুষ ও বালক নিহত হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে এটি ছিলো সবচেয়ে ভয়াবহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি।
২০১১ সালের মে মাসে সার্বিয়ার একটি গ্রাম থেকে ম্লাদিককে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ২০২১ সালে আপিল করেও রায় থেকে রেহাই পাননি তিনি।
তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে বিদায় জানানোর কথা আগেই জানিয়েছিলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুচিচ। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সংস্থাটি বলেছে, ম্লাদিকের মতো যুদ্ধাপরাধীর জন্য ইউরোপে কোনো স্থান নেই। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট