
এস্তাদিও দো দ্রাগাওয়ে মার্ক গুয়েহির সাথে পোর্তোর গ্যাব্রিয়েল ভেইগারের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। বিরতির বাঁশি বাজার পর ফুটবলাররা টানেলের দিকে যাওয়ার সময়ও উত্তেজনা বজায় ছিল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হালান্ড এগিয়ে দেন সিটিকে। ৪৭ মিনিটে রায়ান শেরকির প্রচেষ্টা থেকে বল পেয়ে এনজো ফার্নান্দেজের নিখুঁত ক্রস হালান্ডের কাছে পৌঁছায়। এবার পোর্তোর গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তার কিছুই করার ছিল না। শক্তিশালী হেডে পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান নরওয়েজিয়ান তারকা। ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পোর্তো। পেপে হেডে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তা বাইরে চলে যায়। ম্যাচ শেষের যোগ করা সময়ে রায়ান এইত-নুরির কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে হালান্ড নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন।
শেষ বাঁশির আগে আবারও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। হালান্ডের ওপর পাবলো রোসারিওর বাজে ট্যাকলকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়। পোর্তো কোচ ফ্রান্সেসকো ফারিওলিও হলুদ কার্ড দেখেন।