
এই যৌথ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের জবাবে ইসরাইল কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। একই সঙ্গে সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিনসহ কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির ইসরাইলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’র জানিয়েছেন, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ এলাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। কনস্যুলেটটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে গাজা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেম নিয়ে কাজ করে। সা’র দাবি করেন, যুক্তরাজ্যের পদক্ষেপ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’।
ব্রিটেনের এই অবস্থানের পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন দেশটির লেবার দলের অনেক ভোটার ও আইনপ্রণেতা। তবে, বসতি সম্প্রসারণ ও পশ্চিম তীরের দখল নিয়ে দুই দেশের অবস্থান যত কঠোর হচ্ছে, ততই ইসরাইল-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের কূটনৈতিক দূরত্ব বাড়ছে।