
কোম্পানির এই নীতির আওতায় ছুটি নিতে কর্মীদের কোনো প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে না। এমনকি কেন ছুটি প্রয়োজন, তা নিয়েও কোনো প্রশ্ন করা হবে না। ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময় কাটিয়ে মানসিকভাবে স্বাভাবিক হয়ে কাজে ফেরার সুযোগ দিতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো কর্মীর যদি সাত দিনের চেয়েও বেশি সময় প্রয়োজন হয়, তাহলে তিনি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে আলোচনা করে ছুটি বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।
স্টকগ্রোর প্রতিষ্ঠাতা অজয় লাখোটিয়া বলেন, কোম্পানি তার কর্মীদের পরিবারের সদস্যের মতোই দেখে। তাই ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, পুরো নীতিই পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ছুটি নেওয়ার আগে সম্পর্ক ভেঙেছে—এমন কোনো প্রমাণ দিতে হবে না কর্মীদের। মূল লক্ষ্য হলো, মানসিকভাবে কঠিন একটি সময় পার করে কর্মীরা যেন নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে কাজে ফিরতে পারেন।
স্টকগ্রোর এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে বেশ আলোচনা তৈরি করেছে। সাধারণত অসুস্থতা, পারিবারিক প্রয়োজন, শোক কিংবা অন্যান্য প্রচলিত কারণে কর্মীদের ছুটি দেওয়া হলেও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মতো ব্যক্তিগত ঘটনার জন্য আলাদা ছুটির ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে বিরল।
এই নীতি কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। ব্যক্তিগত জীবনের বড় কোনো ঘটনার পর তৈরি হওয়া মানসিক চাপ ও কষ্টকে কর্মক্ষেত্রে ছুটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত কি না—স্টকগ্রোর উদ্যোগ সেই প্রশ্নই সামনে এনেছে।