
শনিবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে সীমান্ত ইস্যুর পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, বিশ্বের দুই বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে ভারত ও চীনের ওপর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। জাতীয় পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও দুই দেশ একে অন্যের শক্তি থেকে শিখতে পারে এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে।
জনগণের কল্যাণ ও বিশ্বের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলেও মনে করেন শি। বৈঠকে আগের সীমান্ত চুক্তি ও সমঝোতাগুলো মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেন নরেন্দ্র মোদি।
দুই দেশের মতপার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়, তাই পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা ও স্বার্থ-এই তিন নীতির ওপর জোর দেন তিনি। বৈঠকের পর আগামী বছর ব্রিকসের সভাপতি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শি জিন পিংকে আগাম শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদি।