
নিহত রিয়াদ মিয়া ও অভিযুক্ত হৃদয় মিয়া মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিয়াদ মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই তার মাকে মারধর করতেন। শনিবার ঘটনার দিন রিয়াদের বড় ভাই হৃদয় মিয়া ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। তিনি ঢাকার একটি হোটেলে কাজ করেন।
বাড়িতে এসে হৃদয় জানতে পারেন, মাদক সেবনের টাকার জন্য রিয়াদ তার মাকে মারধর করেছেন। এ নিয়ে হৃদয় রিয়াদকে জিজ্ঞাসা করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মা ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় হৃদয় মিয়ার হাতে থাকা ছুরির আঘাত রিয়াদের বুকে লাগে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রিয়াদ মিয়াকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বাংলাভিশনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ঘটনার পরপরই হৃদয় মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।