
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নগরীর বারিক বিল্ডিং এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি বন্দরের ২ নম্বর গেটের সামনে পৌঁছালে পুলিশের অনুরোধে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
এ সময় বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, এই আন্দোলন সরকারবিরোধী নয়। জনগণের সরকারকে জনগণের দিকে টেনে আনার আন্দোলন।
চট্টগ্রাম বন্দরকে জাতীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত সিসিটি ও এনসিটি কোনো অবস্থাতেই বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। বহুজাতিক কোম্পানি ও পুঁজিবাদী শক্তিগুলো দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের জাতীয় সম্পদের দিকে নজর দিয়ে আসছে। এসব টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলে সব মুনাফা তারা নিয়ে যাবে, দেশের মানুষের জন্য তেমন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। পাশাপাশি বন্দরের আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক, বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা রয়েছে। ফলে দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়েও গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হবে।
পরে প্রশাসনের অনুরোধ মেনে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করা হলেও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের ফটকে সকাল-সন্ধ্যা অবস্থান ধর্মঘটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি।