
আইসিসি-র আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য ক্রান্তি গৌড়ের ম্যাচ ফি-র ১০% কেটে নেওয়া হয়েছে এবং তার শাস্তিমূলক রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমেশা দুলানিকে আউট করার পর ড্রেসিংরুমের দিকে ইঙ্গিত করে ‘সেন্ড-অফ’ দেন ক্রান্তি। আইসিসি-র আচরণবিধির ধারা ২.৫ (লেভেল ১) ভঙ্গ করেছেন ক্রান্তি।
ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া দাসের প্রস্তাবিত এই শাস্তি ক্রান্তি গৌড় মেনে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। গত ২৪ মাসে এটিই ক্রান্তি গৌড়ের প্রথম অপরাধ।
একই টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে মন্থর গতিতে ওভার করার (স্লো ওভার-রেট) কারণে পাকিস্তান নারী দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি-র ৫ শতাংশ জরিমানা করেছেন ম্যাচ রেফারি জিএস লক্ষ্মী। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক ওভার কম বল করায় আইসিসি-র ধারা ২.২২ অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হয়।