
এর আগে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর প্রথমে অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালুর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়।
এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন পর কারখানাটি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মকর্তা–কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও উৎসাহ ফিরে এসেছে।