
তাদের ভাষ্য, হুথি ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহের অনুরোধ করেছে সৌদি আরব। দেশটির প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার চাপে রয়েছে। ফলে বিকল্প উৎস থেকে সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছে রিয়াদ।
সৌদি আরবের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে জ্বালানি অবকাঠামো ও তেল পরিবহন নিরাপদ রাখার প্রশ্নে। হুথিরা সৌদি স্থাপনা ও লোহিত সাগরে দেশটির জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। একই সময়ে বাব আল-মানদেব প্রণালি নিয়েও হুথিদের হুমকি রয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত এই পথও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি মক্কার দিকে হুথি ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। একই দিনে ইয়েমেনের আকাশে সৌদি একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিও করেছে তারা।
এদিকে সৌদির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করা পাকিস্তান ও তুরস্ক জানিয়েছে, হুথিদের মোকাবিলায় তাদের কাছে সরাসরি সামরিক সহায়তার অনুরোধ আসেনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সৌদির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। তুরস্কও ঘটনাটিতে নির্লিপ্ত না থাকার কথা বলেছে।
আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মতে, সামরিক সহায়তার বদলে মিত্র দেশগুলো কূটনৈতিক উদ্যোগে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। সূত্র: লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস্