
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং এটি সবার জন্য উপকারী হবে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনও বলেছেন, চুক্তিটি ন্যাটো ও ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করবে।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই কৌশলগত কারণে গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে বলে আসছেন ট্রাম্প। তাঁর এমন অবস্থান ডেনমার্কের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি করে। গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি সেই দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মধ্যেই সামনে এলো।
নতুন চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে রাশিয়া ও চীনসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা সেনা মোতায়েন থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা থাকবে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সংবেদনশীল খাতে বিনিয়োগ ঠেকানোর ব্যবস্থাও চুক্তিতে থাকার কথা বলা হয়েছে।