
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি সাপকে দাঁড়াশ মনে করে ধরার চেষ্টা করছিলেন আলমগীর। এ সময় সাপটি তাকে দংশন করে। পরে দ্রুত হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে তার বাবা সত্তার ওঝা ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে বিষ নামানোর চেষ্টা করেন।
এরপর আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সম্প্রতি ওই এলাকায় কালাচ সাপের উপস্থিতি বেড়েছে। অনেকেই বিষধর এই সাপকে দাঁড়াশ ভেবে ভুল করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপ দেখলে সেটি ধরার চেষ্টা না করে নিরাপদ দূরত্বে থাকা উচিত। সাপের দংশনের শিকার হলে ঝাড়ফুঁক বা অন্য কোনো ঘরোয়া পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।