
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৬ লাখ টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। এর আগে আগস্টে আমদানি হয়েছিল ১ দশমিক ৫৮ লাখ টন। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেছে লোয়াব।
সংগঠনটি আরও জানায়, পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা যদি বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করেন কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে এলপিজি মজুত করেন, তাহলে তা প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় জেলা প্রশাসকদের বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে কি না এবং কোথাও নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করা হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করা হবে।
ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা ও এলপিজির বাজার স্থিতিশীল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে লোয়াব।