
প্রতীকী ছবি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-আগস্টের লেনদেন ইতোমধ্যে ২০২৫ সালের পুরো বছরের মোট লেনদেনের প্রায় ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে। গত বছর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিলো ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকা।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেন, বিদেশি লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো একক উদ্যোগ কাজ করছে না। বাজারকে ফ্রন্টিয়ার থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের এনআইটিএ-সংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং টি+১ সেটেলমেন্ট চালুর উদ্যোগ ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
চলতি বছরের মে মাসে বিদেশি লেনদেন সর্বোচ্চ ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকা হয়েছে। জানুয়ারিতে ছিল ৩৭৭ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৬৬৩ কোটি টাকা। মার্চ ও এপ্রিলে তা কমে যথাক্রমে ২৭২ কোটি ও ১৭৫ কোটি টাকায় নামে। জুন, জুলাই ও আগস্টে লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে ৫৪০ কোটি, ৫২৩ কোটি ও ৩১৮ কোটি টাকা।
নতুন ব্যবস্থায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এনআইটিএ হিসাব ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়েছে। ফলে বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনের সময় হিসাব সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।