
একটানা প্রায় এক ঘণ্টা বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দুর্ভোগে পড়েন পথচারীরা। অনেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভিজতে ভিজতেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
বৃষ্টির পর নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা। রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে আগাম আলু, শাকসবজি ও রবি মৌসুমের নানা ফসলের আবাদ শুরু হয়েছে। এ সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। এতে বীজ ও চারা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সবজি ও আগাম আলুর ফলনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, রবি মৌসুমের শুরুতে জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে সদ্য রোপণ করা আলু ও সবজির ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে নিচু জমিতে পানি জমে গেলে ফসলের গোড়ায় পচন ধরার আশঙ্কা থাকে। ফলে অসময়ের এই বৃষ্টি একদিকে যেমন গরম থেকে স্বস্তি দিয়েছে, অন্যদিকে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এমন বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর প্রভাবে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। ফলে আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে।