
আইজিপি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন পথরেখা তৈরি করে এগোতে হচ্ছে। এ পথরেখায় জনগণের প্রত্যাশা, মানবাধিকার এবং নারী, শিশু ও বয়স্ক নাগরিকদের প্রতি সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। নবপদায়িত কর্মকর্তাদের নতুন উদ্যম ও অঙ্গীকার নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।
পুলিশিং একই সঙ্গে সেবা ও চ্যালেঞ্জের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে বাহিনীর একজন ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
নবীন কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতের পুলিশ নেতৃত্ব আখ্যা দিয়ে আইজিপি আরও বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। নিয়মিত নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে পেশাদারত্ব বজায় রাখতে হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে আইন ও বিধিবিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে নবপদায়িত কয়েকজন কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পেশাদারত্ব বজায় রেখে জনআস্থা অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন। তিনিও জাতির প্রত্যাশা পূরণে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশের ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে ৭২ জন কর্মকর্তা যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মো. মুশফেকুর রহমান, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান, অতিরিক্ত আইজি (অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন) ও নবগঠিত সাইবার পুলিশ ইউনিটের প্রধান মো. ইকবাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিআইজি (প্রশাসন) মো. হুমায়ুন কবীর।
বিভি/বিএস/পিএইচ