
নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দেন অজিঙ্কা শিন্ডে। তিনি বলেন, ‘সরকার আমাদের ঐক্যকে ভয় পাচ্ছে। অনুগ্রহ করে যন্তর মন্তরে আসুন। পুলিশ আপনাদের থামালে সেই জায়গাটাকে যন্তর মন্তর বানিয়ে ফেলুন।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার মুম্বাই থেকে বিমানে দিল্লি পৌঁছান অভিজিৎ দীপকে। বিমান অবতরণের পরই উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তাকে এবং সিজেপির সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ।
একই দিন সকালে গুরুগ্রামে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয় নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে জার্মানি থেকে ভারতে আসা রাঠি ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, বিক্ষোভের অনুমতি না থাকার কথা জানিয়ে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নিয়ে রাখা হয়। রাতভর অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ৪০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
শীর্ষ নেতারা আটক থাকায় সিজেপির আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন অজিঙ্কা শিন্ডের ওপর। দলের নেতৃত্ব ধরে রাখা এবং সমর্থকদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় শহর আলিবাগের বাসিন্দা অজিঙ্কা শিন্ডে দীর্ঘদিন ধরে অভিজিৎ দীপকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। এর আগে তিনি আম আদমি পার্টির (আপ) মহারাষ্ট্র শাখার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেছেন।
২০১৬ সালে গোয়ায় প্রথম অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে করপোরেট চাকরি ছেড়ে আপের হয়ে পূর্ণকালীন কাজ শুরু করেন তিনি। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে দলকে জেতানোর লক্ষ্যে এক বছর কাজ করলেও দলটি কোনো আসন পায়নি। এরপরও দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে মহারাষ্ট্রে আপের সাংগঠনিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন অজিঙ্কা শিন্ডে।