
ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভী জানান, জরুরি অবস্থা জারির আগে সরকারের পক্ষ থেকে আফ্রিদির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছিল। তিনি বলেন, "সন্ত্রাসবাদের অবস্থা আপনারা সবাই দেস্খতে পারছেন। ১২টি জেলায় পরিস্থিতি খুবই খারাপ। কিছু জেলায় সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারাও সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে পারেন না। সেখানে একের পর এক পুলিশ সদস্যকে নিশানা বানিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। আমাদের জন্য প্রতিটি দিনই এখন নতুন শোকের দিন, প্রতিদিনই আমাদের মানুষ শহীদ হচ্ছেন।''
নকভী আরও বলেন, ''আমরা প্রাদেশিক সরকারের সাথে একমতে পৌঁছানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছিলাম। খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদির সাথে আমাদের একাধিক বৈঠক হয়েছে। সেসব বৈঠকে আমাদের একমাত্র আলোচনার বিষয়ই ছিল সন্ত্রাসবাদ। আমাদের অবস্থান ছিল একটাই—যেকোনো উপায়ে যেন তাদের একসাথে আনা যায় এবং এই সংকট নিরসনে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়।"
পিটিআই চেয়ারম্যান গওহর আলী খান এবং দলের শীর্ষ নেতারা এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের আদেশের ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে এটি 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' এবং নির্বাচিত নেতৃত্বকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র।
পিটিআই মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরাম বলেছেন, সন্ত্রাসবাদ দমন নয়, বরং পিটিআই-কে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূখ্যমন্ত্রী সহ দলের অন্যান্য নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: রয়টার্স, ডন