
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দবনের দস্যু সম্রাট বাহিনী
সুন্দরবনের শিপসা নদীর আরবানিয়া খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্ট গার্ড উক্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা জিম্মিদের রেখে বনের ভিতরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের বরাত দিয়ে কোস্টগার্ড জানায়, গত ১০ অক্টোবর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গেলে সম্রাট বাহিনীর সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যায় এবং জিম্মি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করে।
উদ্ধারকৃত জেলে মইনুর (৫০), বাদশা গাজী (৩৯), সুজন হোসেন (৩৪) এবং ইমামুল মল্লিক (২২) এর সকলেই খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় কোস্টগার্ড।