
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। জবাবে হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস থামে ২৪০ রানে। এতে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংসে রহমত শাহ ১০৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তবে সতীর্থদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি দলটি। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ৫ উইকেট নেন, যার মধ্যে ছিল হ্যাটট্রিক। এবাদত হোসেন শিকার করেন ৪ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮২ ও মুশফিকুর রহিমের ৮১ রানের ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় দল। পরে লিটন দাসের দুর্দান্ত শতক ও মেহেদী হাসান মিরাজের অপরাজিত ৫২ রানে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। লিটন ১১৭ বলে ১০২ রান করেন। সপ্তম উইকেটে লিটন ও মিরাজ যোগ করেন ১৪৯ রান।
৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরে রহমত শাহ ও সেদিকউল্লাহ আতাল প্রতিরোধ গড়েন। রহমত ৫১ রান করে এবাদতের শিকার হন। সর্বশেষ পাওয়া স্কোর অনুযায়ী, সেদিকুল্লাহ ৮৩ ও ইসমাত আলাম ০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
শেষ দিনে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৬টি উইকেট দ্রুত তুলে নেওয়া। অন্যদিকে, আতালের ব্যাটে ভর করে ম্যাচ বাঁচানোর চেষ্টা করছে আফগানিস্তান। ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে আতালের উইকেট।