
শেষ দিনে দলটি উইকেট হারিয়েছে ৫টি। দিনের খেলা শেষ করেছে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান নিয়ে। আর বাংলাদেশ শত চেষ্টা করেও অলআউট করতে পারেনি আফগানদের।
টেস্ট জিততে শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিলো ৭ উইকেট আর আফগানিস্তানের ৩৪৭ রান। চতুর্থ দিনের তিন উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে, শেষ দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে, বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে টিকে থাকার অসামান্য সংগ্রাম করেছেন আফগান ব্যাটাররা।
অসাধারণ ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়ে টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সাদেকুল্লাহ আতাল। ১১১ রানের এই লড়াকু ইনিংসে আতাল ৫১৪ মিনিট উইকেটে টিকে থেকে বল খেলেছেন ৩৩২টি। তিনটি ছক্কাও মেরেছেন তিনি।
তবে আতাল ফিরে গেলে, ২৮১ রানে বাংলাদেশের বোলাররা সপ্তম উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগান। কিন্তু আফগান টেলএন্ডে কায়েস আহমেদ ও ইয়ামিন আহমেদজাই অস্টম উইকেটে দু'জন মিলে ১৬৫ বল টিকে থেকে বাংলাদেশের জয় ছিনিয়ে নেন।
৮৫ বলে ১৯ রান করে ইয়ামিন, মিরাজের তৃতীয় শিকার হলেও; জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কায়েস আহমেদ শেষ পাঁচ ওভার উইকেটে টিকে থেকে টেস্ট ড্র করেই মাঠ ছাড়েন। কায়েস ৮০ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
বাংলাদেশের বোলিংয়ে এবাদত ও মিরাজ নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। তবে দুটি রান আউটের সুযোগ ও একটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করে জয় বঞ্চিত থাকতে হয় টাইগারদের। এই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ফিফটির সাথে দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি এবং উইকেটের পেছনে ৯ ডিসমিসাল করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে নিজের জন্মদিনে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস।