
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পরও ৪৫তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের চূড়ান্ত গেজেটে জায়গা হয়নি তার-এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। ৪৪তম বিসিএসে আনসার ক্যাডারে গেজেটভুক্ত হয়েছিলেন তিনি।
গেজেট থেকে বাদ পড়া ১০৫ জনের মধ্যে একজন হলেন কুমিল্লার ঝলম-মহিদপুর গ্রামের সন্তান নূরে আলম পারভেজ। তার আশঙ্কা, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তাকে ছাত্রলীগের বড় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকার কারণে মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিতে হয়েছিল বলে দাবি তার। কলেজজীবনে ভোটাধিকারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
কলেজ জীবনে ভোটাধিকারের দাবিতে শাসনগাছা, কান্দিরপাড় ও পদুয়ার বাজারের কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন নয়া পল্টনেও। সেই আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের অনেকেই আজও তার ফেসবুক বন্ধু—স্মৃতিতে রয়ে গেছে রাজপথের সেই দিনগুলো।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ১৬ জুলাই থেকে অংশ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ রয়েছে তাঁর কাছে।
‘আমার অপরাধটা কোথায়? অভিযোগ থাকলে তা জানার এবং জবাব দেওয়ার সুযোগ কি আমার প্রাপ্য নয়?’—এমন প্রশ্ন তার। প্রতিশোধ কিংবা বিশেষ সুবিধা চান না বলে জানিয়েছেন তিনি; চান নিজের বিরুদ্ধে আসা তথ্য ও সিদ্ধান্তের ভিত্তি জানতে, আর ন্যায়সংগত মূল্যায়ন।
গেজেটে নাম না থাকা—তার কাছে এখন শুধু একটি সিদ্ধান্ত নয়, অজানা অনেক প্রশ্নের ভার। সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর কি মিলবে? জানতে চান ৪৫তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের গেজেট থেকে বাদ পড়া এই কর্মকর্তা।