
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (ফাইল ছবি)
পরে সকাল পৌনে ১১টার দিকে নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ, মোংলা বন্দরের জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে খুলনা ও বাগেরহাট সফর করছেন সরকারপ্রধান।
নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সুন্দরবনের পর্যটন সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন তারেক রহমান।
সফরসূচি অনুযায়ী, মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি ও বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ সময় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা বন্দর এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে এ অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়বে। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হবে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে উন্নয়নবঞ্চিত জনপদ উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিল্পায়ন প্রয়োজন। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সুন্দরবনের পর্যটন সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করতেই প্রধানমন্ত্রী খুলনা সফর করছেন।