শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় ভারতে গ্রেফতার তিনজনকে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এখানে (তাদের ফেরাতে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা হচ্ছে, আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ আমাদের অনুরোধপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা প্রেরণ করেছি। যাতে এক্সট্রাডিশন চুক্তি (বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি) অনুসারে সেই সব আসামিকে আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এসময় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাদি হত্যার মামলার দুই আসামি গ্রেফতার ও তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে যারা অভিযুক্ত তাদের ব্যাপারে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। একবার চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল। সম্ভবত নারাজি দেওয়ার কারণে পুনরায় তদন্ত হচ্ছে। এরইমধ্যে ভারতে প্রথমে দুইজন পরে আরেকজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে তাদের দেশের নিজস্ব পুলিশ ফোর্স। সেখানে আমাদের দূতাবাসকে আমাদের যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে আমরা অনুরোধপত্র পাঠিয়েছি, যাতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হয়। তিনি বলেন, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা হচ্ছে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ আমাদের অনুরোধপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা পাঠিয়েছি। যাতে এক্সট্রাডিশন চুক্তি (বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি) অনুসারে সেই সব আসামিকে আইনমাফিক বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মিরপুর থেকে ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক খালেদ মামুনকে আটক করা হয়েছে। কোন অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে? জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না। এই শুনলাম। আমাকে খোঁজ নিতে হবে। সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পুলিশ সংস্কারসহ বেশ কিছু বিষয়ে কথা বলেছেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখন বেশ কিছু পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলছি, বাংলাদেশের পুলিশ সংস্কারের জন্য আমরা যেসব পদক্ষেপ নিতে চাই, আরো বেশি মানোন্নয়নের জন্য। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের জন্য যাতে আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারি সেজন্য আমরা সহায়তা চাইছি। সেটাকে অনেক সময় বলা হয় যে, অ্যাডভাইজারি সাপোর্ট আছে, টেকনিক্যাল সাপোর্ট আছে। ট্রেনিং আছে, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং আছে। এ সব ক্ষেত্রে আমরা যেখানেই উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে সহায়তা পাবো তাদের কাছ থেকে সে সহায়তা চাইছি।