স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একসময় পরিবার নিয়ে ফুলছড়ির চর কাতলামারী এলাকায় বসবাস করতেন মোজাম্মেল হক। নদীভাঙনের কারণে পরে তিনি পরিবারসহ বাদিয়াখালীর তালুক রিফায়েতপুর গ্রামে চলে যান।
বৃহস্পতিবার সকালে পুরোনো বসতভিটা দেখতে পরিবারের আরও চার সদস্যকে নিয়ে একটি ছোট নৌকা ভাড়া করে চর কাতলামারীর উদ্দেশে রওনা হন তিনি। নৌকাটি ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝামাঝি পৌঁছালে প্রচণ্ড বাতাস ও ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় নৌকার মাঝিসহ পাঁচজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মোজাম্মেল হক তারা মিয়া নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে ফুলছড়ি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে প্রাথমিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে দুপুরে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খুশু বলেন, নদীতে প্রচণ্ড বাতাস ও ঢেউ থাকায় পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। এমন অবস্থায় ছোট নৌকায় নদী পারাপার না করাই নিরাপদ ছিল। তীব্র স্রোত ও নদীর গভীরতার কারণে ডুবুরি দলের উদ্ধারকাজেও কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আরও সতর্কতা অবলম্বন করলে দুর্ঘটনাটি এড়ানো সম্ভব হতে পারত। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বসির আহমেদ